1. admin@ajkerchattogram.com : admin :
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের ইপিজেড হালিশহর ধূমপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চট্টগ্রাম নগরীর শিশু আরাফ হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড পতেঙ্গায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার নিয়ে ৪১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ পতেঙ্গায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছে ৪১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ আবারো চট্টগ্রামে বাড়লো করোনা শনাক্ত সংঘর্ষের পর দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাত শেষেই খাগড়াছড়ির ইউপিতে ভোট চট্টগ্রামে করোনায় নতুন শনাক্তের সংখ্যা ৩৬১ জন চট্টগ্রামে শহীদ মিনার উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী পরিদর্শনে এসেই ক্ষুব্ধ রেলমন্ত্রী, অবৈধ পার্কিং দেখেই বরখাস্ত চট্টগ্রামের ডিআরএম ও স্টেশন ম্যানেজার

দেশে প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২ শতাংশ

আজকের চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৫৫ বার পঠিত

করোনা মহামারীর এই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চলতি অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ অর্জিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি আরও বলেন, অর্থ পাচার রোধে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিদেশে বিনিয়োগ করার সুযোগ না দিলে হুন্ডির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

রবিবার অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত সভা শেষে ভার্চুয়ালি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির তিনটি এবং ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য ১৬টি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। অনুমোদিত ১৬টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৬৪ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি থেকে ব্যয় হবে ৪৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮১ টাকা এবং দেশীয় ব্যাংক ও বৈদেশিক ঋণ ৯৩৭ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন আ হ ম মুস্তফা কামাল, দেশের মানুষজন অনেক বেশি সৃজনশীল ধারণা নিয়ে আসছে এবং তারা বিদেশে বিনিয়োগ করার চেষ্টা করছে। বিদেশে বিনিয়োগ করা অন্যায় কিছু না। বিদেশে বিনিয়োগের বিষয়টি কিছু শর্তের ভিত্তিতে অফিসিয়ালি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। উন্নয়নশীল দেশের কাতারে আমাদের অন্যরাও আছে। প্রত্যেক দেশেই তাদের ফরেন এক্সচেঞ্জ রেটটা তারা আস্তে আস্তে এ্যালাউ করে, জনগণের বিদেশী বিনিয়োগের জন্য, আমরাও সেই পথে যাচ্ছি। বিদেশে বিনিয়োগ হলে সেখান থেকে আয় আসবে। দেশের জনগণই সেখানে গিয়ে চাকরি করবে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এটা যদি বন্ধ করে রাখা হয়, অন্যদের এ্যালাউ না করি তাহলে দেশ পিছিয়ে পড়বে। এটা আমাদের ভাল উদ্যোগ। এটা নিয়ে অনেক কাজ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী অ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ আমাদের ওঠানামা করবে। যখন আমদানি বেশি করা হয় তখন সেটি রিজার্ভ থেকেই ব্যয় করতে হয়। রিজার্ভ কীভাবে হয়, যখন রফতানি করা হয় তখন আর্নিং মানিটা চলে যায় বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে। তাদের নির্দিষ্ট লিমিট থাকে, এর বেশি তারা ফরেন এক্সচেঞ্জ রাখতে পারে না। তখন তাদের বিক্রি করতে হয়, বিক্রি করলে বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা কিনে নেয় মার্কেট প্রাইজে। সেভাবেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ বাড়ে। যেমনিভাবে এক্সপোর্ট তেমনিভাবে রেমিটেন্স। কারণ রেমিটেন্স যখন বেশি আসে তখন সেটি চলে যায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে। ব্যাংকগুলো তা বিক্রির জন্য দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এগুলো কিনে নিয়ে তাদের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ বৃদ্ধি করে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বিপুল পরিমাণ আমদানি বিল পেমেন্ট করতে হচ্ছে। এতে করে কিছুটা ওঠানামা করে। পেমেন্ট করলে রিজার্ভ কিছুটা কমে। এখন যে ৪৫ থেকে ৪৬ বিলিয়ন ডলারে ওঠানামা করছে এটা ঠিক আছে। যদি পেমেন্ট না করা হতো তাহলে আগেই রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির উন্নতি হলে জিডিপি বাড়বে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সরকারের প্রাক্কলন চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। তবে আইএমএফ-এর প্রক্ষেপণ ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। আইএমএফ সব সময় রক্ষণশীল প্রক্ষেপণ করে থাকে। তবে আমার বিশ্বাস, আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। চলতি অর্থবছরে অর্থনীতির আকার ৪৫৫ বিলিয়ন ডলার হবে, এর মাধ্যমে অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা