1. admin@ajkerchattogram.com : admin :
শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের ইপিজেড হালিশহর ধূমপাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চট্টগ্রাম নগরীর শিশু আরাফ হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড পতেঙ্গায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার নিয়ে ৪১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ পতেঙ্গায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছে ৪১ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ আবারো চট্টগ্রামে বাড়লো করোনা শনাক্ত সংঘর্ষের পর দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাত শেষেই খাগড়াছড়ির ইউপিতে ভোট চট্টগ্রামে করোনায় নতুন শনাক্তের সংখ্যা ৩৬১ জন চট্টগ্রামে শহীদ মিনার উদ্বোধন করলেন চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী পরিদর্শনে এসেই ক্ষুব্ধ রেলমন্ত্রী, অবৈধ পার্কিং দেখেই বরখাস্ত চট্টগ্রামের ডিআরএম ও স্টেশন ম্যানেজার

যারা সন্ত্রাস দমন করেছে আমেরিকা তাদের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজকের চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৮০ বার পঠিত

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে সংসদে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের র‍্যাবের কিছু অফিসারের বিরুদ্ধে আমেরিকা স্যাংশন দিয়েছে। যদি বলি কাদের ওপর? এখন আমাদের বর্তমান আইজিপি, তখন র‍্যাবের ডিজি ছিলেন। হলি আর্টিসানে যখন সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে, মানুষ হত্যা করে। নৃশংস দৃশ্য! তারা কেবল হত্যাই করেনি, ছুরি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে মানুষ মেরেছে। হত্যার পরে বাবুর্চিকে জিম্মি করে বড় বড় চিংড়ি মাছ থেকে শুরু করে সব রান্না করে খেয়েছে। কী রকম বিবৃতমনা ছিল তারা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং ১৬তম অধিবেশনের সমাপনী আলোচনায় এইসব কথা বলেন।

সরকার প্রধান বলেন, পুলিশের দুজন অফিসার সেখানে ছুটে গেলে তাদের গুলি করে মেরে ফেলে। এরপর আমরা পদক্ষেপ নেই। সে সময় আমেরিকার যিনি রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি টুইট করেছিলেন, হলি আর্টিসানের সন্ত্রাসী হামলা বাংলাদেশ একা সমাধান করতে পারবে না। রোজার দিন ছিল। সারারাত আমরা কাজ করেছি। সেহরির সময় পর্যন্ত আমি বৈঠক করি। সবাইকে নিয়ে মিটিং করি। কী করা হবে। কীভাবে অপারেশন চালানো হবে। তার পূর্ণ পরিকল্পনা করেছি। পরের দিন সকাল ৯টার মধ্যে জিম্মিদের উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সফলতার সঙ্গে তাদের আক্রমণ মোকাবিলা করি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর পরপরই আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর টুইটটি সরিয়ে ফেলেন। এবং সেই সঙ্গে বাংলাদেশে আর সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটতে পারেনি। আমরা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ দমন করেছি। যেটা বিএনপির সৃষ্টি। যাদের মদত দিয়েছে প্রশ্ন হচ্ছে- যাদের তারা (যুক্তরাষ্ট্র) স্যাংশন দিল তাদের অধিকাংশ এই সন্ত্রাস দমনে ভূমিকা রেখেছিল। তাহলে এরা কেন আমেরিকার কাছে এত খারাপ হলো? সবচেয়ে ভালো ভালো অফিসার যারা। ওই অপারেশনে যারা ছিল এবং সেই …।আমার মনে হয় যারা সন্ত্রাস দমনে সফল, যারা দেশটা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ থেকে রক্ষা করতে পেরেছে। যারা সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করেছে। সাধারণ মানুষের মানবাধিকার সুসংহত করেছে তাদের ওপরই যেন আমেরিকার রাগ। আমি আমেরিকাকে দোষ দেই না। ঘরের ইঁদুর (বিএনপি-জামায়াত) বাঁধ কাটলে কাকে দোষ দেবো?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা